জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি কমেছে

বুধবার, ০৯ আগস্ট ২০১৭ ২২:১৯ ঘণ্টা

চলতি বছরের জুন মাসের তুলনায় জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা কমেছে। জুলাইয়ে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৫৭ শতাংশ। যা জুনে ছিল ৫ দশমিক ৯৪ শতাংশ। জুলাই মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতির পাশাপাশি খাদ্য ও খাদ্য-বহির্ভূত মূল্যস্ফীতির হারও কমেছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

বুধবার (৯ জুলাই) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে বিবিএস এর মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘গত মে মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে সয়াবিন তেল, চিনি এবং চালের দাম বেড়ে গিয়েছিল। এ কারণে জুন মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে গিয়েছিল। এখন চালের দাম কিছুটা বাড়তে থাকলেও সয়াবিন ও চিনির দাম কমে এসেছে। তাই মূলস্ফীতি কমেছে।’

তিনি বলেন, ‘আশা করছি সামনের দিনগুলোতে পণ্যের দাম আরও কমবে। ফলে মূল্যস্ফীতিও কমে আসবে।’

বিবিএস তথ্য অনুযায়ী, পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে জুলাইয়ে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৫৭ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৯৪ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৯৫ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ৫১ শতাংশ। এছাডা খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৫৩ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ।’

জুলাই মাসে গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৪১ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ। খাদ্য পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৮৬ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ২০ শতাংশ। এছাড়া খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ৮৪ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ২ দশমিক ৯৪ শতাংশ।

অপরদিকে শহরে জুলাই মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৮৬ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ১৫ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৮ দশমিক ২১ শতাংশ। এছাড়া খাদ্য বহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৪৮ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৪ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

We use cookies to improve our website. By continuing to use this website, you are giving consent to cookies being used. More details…