পুঁজিবাজার নিয়ে বাজেটে পুরোনো প্যাঁচাল

সোমবার, ১৯ জুন ২০১৭ ২১:০৭ ঘণ্টা

প্রতিবছর জুন মাস আসার আগে দেশের পুঁজিবাজারে আশা নিরাশার এক দোলাচলের সৃষ্টি হয়। পুঁজিবাজার নিয়ে কি থাকছে বাজেটে এমন প্রশ্ন থাকে প্রায় সব বিনিয়োগকারীর মনে। এবারও বাজেট নিয়ে কৌতুহলের কোনো শেষ ছিল না তাদের মধ্যে। বুকের ভেতর ছিল কিছু গোপন আশাও। তবে সেই আশায় পানি ঢেলেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।

 

আগামী ২০১৭-১৮ অথবছরের বাজেট বক্তৃতায় পুঁজিবাজারের জন্য ইতিবাচক কিছুই ছিল না। ছিল না কোনো দিক নির্দেশনা। বাজেট বক্তৃতার পুঁজিবাজার সংক্রান্ত অংশটি ছিল পুরনো প্যাঁচালে পূর্ণ। পুঁজিবাজারের পুরাতন কাহিনীগুলো নতুন করে শুনিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। অতীতের কথিত ‘কীর্তি গাঁথায়’ মন্ত্রী নিজেই ছিলেন গদগদ।

২০১০ সালের ধ্বসের পর পুঁজিবাজারে অনেক সংস্কার হয়েছে। এগুলো বিভিন্ন সময়ে অর্থমন্ত্রী, বিএসইসির চেয়ারম্যানসহ নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা বলে আসছেন। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটেও পুরোনো প্যাঁচাল আবার নতুন করে উল্লেখ করেছেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, পুঁজিবাজারে স্টার্ট-আপ নতুন কোম্পানির মূলধনের চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (অল্টানেটিভ ইনভেস্টমেন্ট) রুলস, প্রণয়ন করা হয়েছে। এছাড়া পুঁজিবাজারে লেনদেনে স্বচ্ছতা আনায়নের লক্ষ্যে আধুনিক সার্ভেইল্যান্স সিস্টেমও ইতোমধ্যে স্থাপন করা হয়েছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের পুঁজি গঠনে সহায়তার লক্ষ্যে স্মল ক্যাপ বাজার গঠনের কাজ চলছে। এর অংশ হিসাবে ইতোমধ্যে একটি আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, নতুন পণ্য এক্সচেঞ্জ ট্রেডেট ফান্ড গঠন করার জন্যও আইন করা হয়েছে। পুঁজিবাজারে দীর্ঘ মেয়াদে উন্নয়নের লক্ষ্যে লেনদেন নিস্পত্তির জন্য আলাদাভাবে ক্লিয়ারিং অ্যান্ড সেটেলমেন্ট কোম্পানি প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা আছে। এ লক্ষ্যে ইতো মধ্যে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। এছাড়া স্টক এক্সচেঞ্জের কারিগরি এবং পেশাগত দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন আইনের আওতায় কৌশলগত বিনিয়োগকারী অব্যাহত থাকবে।

অর্থসূচক

We use cookies to improve our website. By continuing to use this website, you are giving consent to cookies being used. More details…