ইতিহাসের পাতা থেকে

রবিবার, ১৮ জুন ২০১৭ ১০:৫২ ঘণ্টা

* নায়ক কিংবা খলনায়ক হওয়ার জন্য কখনো কখনো একটা বলই যথেষ্ট। এর প্রমাণ ১৯৮৬ সালে অস্ট্রেলেশিয়া কাপের ফাইনালটি। শেষ বলে জয়ের জন্য পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ৪ রান। ভারতের চেতন শর্মাকে ছয় মেরে দলকে জিতিয়ে নায়ক হয়ে যান জাভেদ মিয়াঁদাদ। খলনায়ক বোলার চেতন শর্মা।

* ১৯৯১ সালে শারজায় উইলস ট্রফির ফাইনালে হ্যাটট্রিক করেছিলেন আকিব জাভেদ। ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে সেই হ্যাটট্রিক আজও অনন্য হয়ে আছে দুটি কারণে-এক. সবচেয়ে কম, ১৯ বছর ৮১ দিন বয়সে হ্যাটট্রিকটি করেছিলেন তিনি। দুই. তিনজন ব্যাটসম্যানকেই করেছিলেন এলবিডব্লু।

* ব্যাটসম্যানের মনঃসংযোগে ব্যাঘাত ঘটাতে সাধারণত স্লেজিং করেন উইকেটকিপার কিংবা ফিল্ডাররা। কিন্তু ১৯৯২ বিশ্বকাপে উল্টোটা করেন জাভেদ মিয়াঁদাদ। ভারতীয় উইকেটকিপার কিরণ মোরের অভ্যাস ছিল লাফিয়ে লাফিয়ে আপিল করা। এটা যে তাঁর পছন্দ হয়নি, মিয়াঁদাদ সেটি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন মোরের সামনাসামনি হয়ে দাঁত-মুখ খিঁচিয়ে কয়েকটি লাফ দিয়ে।

* ১৯৯৬ বিশ্বকাপে বেঙ্গালুরুর কোয়ার্টার ফাইনালে ভারতের ইনিংসের ৪৮ ও ৫০তম ওভারে অজয় জাদেজা ওয়াকার ইউনিসের বলে নিয়েছিলেন ১৮ ও ২২ রান। ২৫ বলে ৪৫ রান করেছিলেন জাদেজা। ওয়াকারের ওই দুই ওভারে জাদেজা-ঝড়ই শেষ পর্যন্ত গড়ে দিয়েছিল ব৵বধান।

* ১৯৯৭ সালে টরন্টোয় ‘সাহারা ফ্রেন্ডশিপ সিরিজ’ ভারত জিতেছিল বলতে গেলে সৌরভ গাঙ্গুলীর একক অলরাউন্ড নৈপুণ্যে। রান করেছিলেন ২২২, উইকেট নিয়েছিলেন ১৫টি। ওই সিরিজেই টানা চার ম্যাচে ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ হয়েছিলেন সৌরভ!

* ১৯৯৭ সালে চেন্নাইয়ে সাঈদ আনোয়ারের এক ইনিংসের কাছেই হেরে গিয়েছিল ভারত। ওই ম্যাচে ২২টি চার ও ৫টি ছয়ে ১৪৬ বলে ১৯৪ রান করেছিলেন বাঁহাতি ওপেনার, যেটি ওয়ানডের সর্বোচ্চ ইনিংস হিসেবে টিকে ছিল প্রায় এক যুগ।

* ২০০০ সালে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় সিরিজে ধরাছোঁয়ায় প্রায় বাইরে চলে যাওয়া প্রথম ম্যাচ পাকিস্তানকে জিতিয়ে দিয়েছিলেন দুই টেলএন্ডার ওয়াকার ইউনিস ও সাকলায়েন মুশতাক। শেষ বলে জেতা ম্যাচটিতে অসমাপ্ত নবম উইকেট জুটিতে ৪৩ রান তুলেছিলেন তাঁরা।

* ২০০৩ বিশ্বকাপে সেঞ্চুরিয়নে আকরাম, ওয়াকার, শোয়েব, রাজ্জাকদের নিয়ে গড়া বিশ্বমানের পেস আক্রমণের বিপক্ষেও ২৭৩ রান তাড়া করে জিতেছিল ভারত। তা-ও ৪.২ ওভার বাকি থাকতেই!

* ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে পাকিস্তানের জিততে ৪ বলে ৬ রান দরকার। ভারতের অনিয়মিত বোলার যোগিন্দর শর্মার বলে স্কুপ করতে গিয়ে ফাইন লেগে শ্রীশান্তের হাতে ক্যাচ হয়ে ফেরেন মিসবাহ, ভারত শিরোপা জেতে ৫ রানে। 

তথ্যসূত্র: ক্রিকইনফো

We use cookies to improve our website. By continuing to use this website, you are giving consent to cookies being used. More details…