বাংলাদেশ থামল ৩০৫–এ

মঙ্গলবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ১২:৫২ ঘণ্টা

টেস্টে নাসির হোসেন শেষবারের মতো পঞ্চাশ পেরিয়েছিলেন আজ থেকে চার বছর আগে। ২০১৩ সালের এপ্রিলে হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তাঁর ব্যাট থেকে এসেছিল অপরাজিত ৬৭। এরপর দীর্ঘ সময়ের খরা। মাঝখানে দুই বছর তো টেস্ট দলেই ছিলেন না। চট্টগ্রামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আরও একটি ফিফটির পথে থেকেও সেটি করতে পারলেন না। অ্যাশটন অ্যাগারের বলে ফিরেছেন ৪৫ রান করে।
দ্বিতীয় দিন সকালটা শুরু হয়েছিল বড় কিছুর স্বপ্ন নিয়েই। প্রথম দিন শেষ ৬ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ২৫৩ রান তোলা বাংলাদেশের লক্ষ্য ছিল সংগ্রহটাকে অনেক দূর টেনে নিয়ে যাওয়া। কিন্তু সেই লক্ষ্যের পথে প্রথম আঘাত হয়ে আসে মুশফিকুর রহিমের উইকেটটি। আগের দিনের সংগ্রহের সঙ্গে মাত্র ১২ রান যোগ করেই নাথান লায়নের বলে বোল্ড হন বাংলাদেশ অধিনায়ক। আউট হওয়ার আগে নাসির হোসেনের সঙ্গে তাঁর জুটিটা ছিল ৪৩ রানের। লায়নের নিচু হয়ে যাওয়া বলটি সামনে পা বাড়িয়ে ঠেকালেও ব্যাট-প্যাডের ফাঁক গলে বলটি ভেঙে দেয় তাঁর স্টাম্প। দুর্ভাগ্যজনক আউটই।
মুশফিকের ফেরার পর নাসির মেহেদী হাসান মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে যোগ করেছিলেন আরও ২৮ রান। কিন্তু অ্যাগারের বলে উইকেটের পেছনে ম্যাথু ওয়েডকে ক্যাচ দেন নাসির। আউট হওয়ার আগে নাসির খেলেন ৯৭ বল। মেরেছেন ৫ বাউন্ডারি। মিরাজ ভালো খেলছিলেন। কিন্তু ডেভিড ওয়ার্নারের অসাধারণ এক থ্রোতে রানআউট হয়ে ফেরেন তিনি। মিরাজ ৪৫ বলে করেন ১১ রান।
লায়নের সপ্তম শিকার তাইজুল ইসলাম। স্লিপে স্টিভ স্মিথকে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন তাইজুল। তাঁর দারুণ একটা ছয়ে অবশ্য তিন শ পেরিয়েছে বাংলাদেশের ইনিংস। ম্যাক্সওয়েলকে লং অনের ওপর দিয়ে সীমানার বাইরে আছড়ে ফেলে দর্শকদের তিন শর উল্লাসে মাতান তিনি। সব কটি উইকেট হারিয়ে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩০৫—লড়াই করার মতোই সংগ্রহ। দায়িত্ব এখন বোলারদেরই। তাঁদের ওপরই নির্ভর করবে চট্টগ্রাম টেস্টে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ।

We use cookies to improve our website. By continuing to use this website, you are giving consent to cookies being used. More details…