Logo
ব্রেকিং নিউজ :
Wellcome to our website...

উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় মুন্সীগঞ্জের পৌর মেয়র হাজী ফয়সাল বিপ্লব

ডেইলি মুন্সীগঞ্জ ডেস্ক
আপডেট সময় : Saturday, November 7, 2020
উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার ‘রোল মডেল’ পৌর মেয়র হাজী ফয়সাল বিপ্লব

7

গোরাপত্তনেই রীতিমত গলদঘর্মাবস্থা। নামাংকিতের পূর্বে আখ্যা, উপমা অভিধার ব্যপ্তি নিদেন পক্ষে সংকুচিত নয়। অধিকন্তু বিদ্যমান অসংখ্য নজীর যার প্রায় পুরুটাই অনণ্য দৃষ্টান্ত সমেত। প্রাড়ম্ভিক সূত্রপাতে অপ্রত্যাশিত- আশ্চর্য্যান্বিত সকল উন্নয়ণগাঁথা নেত্রযুগলে ঘূর্নায়মান। অন্তর গহŸরে অকল্পনীয় স্বনের আস্বাদন গ্রহন। বাস্তবতার নিরিখে পরম প্রশান্তির স্বত্তির ঢেকুর। আশা প্রত্যাশা মানুষ মাত্রেই জীবন স্পন্দনের মৌলিক উপজীব্য। যা মানুষের অনাগত স্বপ্ন বুননের মোক্ষম হাতিয়ার ব্যক্তিকেন্দ্রিক এহেন ধারনা রূপক অর্থে ব্যবহৃত হলেও বৃহৎ পরিসরে দৃষ্টি নিবন্ধে বিদ্যমান সমাজই মূখ্য অবতাড়না। বাবা দেশে বিদ্যমান সর্বোচ্চ জনপ্রতিনিধির আসনে অধিষ্ঠান ছিলেন। ছিলেন আইন প্রনেতা। চাচাদের ২ জনই পিতার অনুজ প্রতীম। এ ২ চাটার একজন ছিলেন ‘ন্যায় বিচারকের’ তকমাধারী, আর অপরজন অদম্য-দুর্দমণীয়। ২ জনই ভ‚তপূর্ব জনপ্রতিনিধি যার ১ জন অদ্যাবদি।

হ্যা, বলছি মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার উত্তর আধুনিক মেয়র হাজী মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লবের কথা। ‘তিলোত্তমা পৌরসভার’ আখ্যায় নিশ্চয়ই অতুক্তি হবে। তবে ফয়সাল বিপ্লবের মনস্কামনা যে তিলোত্তমা পৌরসভা প্রতিষ্ঠা তা অত্যুক্তির অবকাশ নেই। এখনো শহরের প্রবীন বা বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা অনেক সময় নানা ঘটনার প্রেক্ষিতে বলে থাকেন অত্যন্ত ভারাক্রান্ত মনে এক জীবনে এ-ও দেখার বাকী ছিল। সেই প্রবীনদের মুখ থেকেই উৎসারীত অসংখ্য প্রশংসা বানী ঝরেছে সহজাত প্রবনতায় পৌর মেয়র হাজী ফয়সাল বিপ্লবকে ঘিরে। নিঃশঙ্কচিত্তে তারা অনর্গল বলেছেন “বাপ-কা বেটা, সিপাই-কা ঘোরা- কুচ বি নেহি, তো থোরা থোরা”। অনেক প্রবাদ প্রবচনের মোদ্দাকথা মানুষের মুখেই জয় আর মানুষের মুখেই ক্ষয়।

বিগত ৫ বছর প্রায় কড়া নারছে বর্তমান মেয়রের মেয়াদ পূর্তীর। স্বাভাবতই পৌর নাগরিকদের নিকট প্রশ্নের উদ্রেক অবান্তর নয় যে বর্তমান মেয়রের মেয়াদে পৌরবাসীর জন্য কর্মকান্ডের ফিরিস্তি। বিগত প্রতি মেয়র ও ইতোপূর্বে সকল চেয়ারম্যানদের ক্ষেত্রেও তাই উত্থাপিত হয়েছে। দু’ একজন বাদে সকলে জনপ্রতিনিধিই সমক্ষেত্রে ‘মাথা হেট’ করেই বিদায় নিয়েছেন। তবে বর্তমান মেয়রের সেক্ষেত্রে কেবল আশাতীত উন্নয়ণগাঁথা প্রকাশ সংকুচিত পরিসরে হলেও নাতিদীর্ঘ রচনায় রূপান্তরীত হবে যা পৌরবাসী মাত্রেই সহমত পোষন করবেন। দৃষ্টান্তনুযায়ী মাত্র ৩/৪ টি উন্নয়নের চিত্র যা পৌর নাগরিকদের মুখে-মুখে ফিরে আর বিস্মিত দৃষ্টি ভঙ্গীতে সহসাই অভিমত পোষন করেন ‘মেয়র বিপ্লব বিধায়’ সম্ভবপর হয়েছে। প্রথমত মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার তুলনামূলক পশ্চাৎপদ সমাজ রমজানবেগ, খাসকান্দি ও মোল্লারচর এলাকা। প্রথম ২ গ্রামের অধিবাসীদের নিকট কল্পনাতীত ‘আলহাজ্ব মোহাম্মদ মহিউদ্দিন সড়ক’ সুপ্রতিষ্ঠিত। ইতোমধ্যেই নাগরিকরা এর সর্বোচ্চ সুফল ভোগ করছে।

এলাকাবাসীরা বলেন, তারা চিন্তাই করতে পারেননি এই জনপদে এহেন সড়ক বাস্তব। তাদের যুগ-যুগান্তরের আজন্ম লালিত বাসনা শহরে অনুপ্রবেশের একটি র্সট-কাট রাস্তা। অধিবাসীদের এই প্রাণান্ত দাবী অবশেষে আলোর মুখ দেখছে মেয়র বিপ্লবের হাত ধরে। মেয়রের প্রশংসায় প মুখ নাগরিকরা স্পষ্ট ভাষায় অভিব্যক্তি প্রকাশ করলেন- মেয়র বিপ্লবের মাধ্যমে এই অবহেলিত জনপদকে একটি ‘সারপ্রাইজ’। তবে অভিমতে ভ‚লেননি-সময় সুযোগ আসলে এর যথপোযুক্ত প্রতিদানে পিছপা বা কুন্ঠাবোধ করবেন না, যা সুস্পষ্টতই জানিয়ে দিলেন। আশাতীত অপর ১টি উন্নয়ণ যা বলিষ্ঠ নেতৃত্বগুন ও সমাজের প্রতি নিবেদন এবং দায়বদ্ধতা ব্যতীত সম্ভব নয়। শহরের সার্কিট হাউজের অদুরে ‘শিলমান্দি থেকে মুন্সীরহাট সড়ক’ অত্যন্ত সুচিন্তিত মানসিকতা পরিপক্ক ভবিষ্যৎ চিন্তক বৈ এমন প্রকল্প বাস্তবায়ণতো দুরের কথা কল্পনাও সুদুরপরাহত। কিন্তু মেয়র তার সুদূরপ্রসারী ভাবনা, আধুনিক মনস্কতা, বাস্তবাবস্থা ধারণ করার অতি মানবীয় গুনাবলী, দক্ষতা- মেধার সুসমন্বয়ে বাস্তবে পরিণত করেছেন এই সড়কটি। মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার অন্তর্গত অবস্থায়ও পৌর বিচ্ছিন্ন একটি বৃহৎ সমাজ মোল্লারচর। এলাকাবাসীর জন্ম-জন্মান্তরের একটি দাবী শহরের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার নিমিত্তে একটি ব্রীজ নির্মান। ১৯৭২ সালে টাউন কমিটি থেকে পৌরসভার উন্নীত হয় মুন্সীগঞ্জ পৌরসভা। প্রায় ৫০ বছর ধরেই তাদের এ দাবীর বাস্তবায়ণ হয়নি। পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, মুন্সীগঞ্জ পৌসভার অর্থনৈতিক বেষ্টনীর আওতাভ‚ক্ত থাকলে অনেক আগেই বর্তমান মেয়র অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই সেতু ইতেমধ্যেই সুসম্পন্ন করে ফেলতেন। তারা জানায় কয়েক বছর আগেও উক্ত অধিবাসীরা নৌকায় যাতায়ত করতেন। কিন্তু পৌরমেয়র শতত প্রচেষ্টায় উক্ত স্থানে একটি কাঠের সেতু করে দিয়েছেন যা দিয়ে জনগন চলাচল করছেন। মোল্লারচরে ইতোপূর্বে কোন পাকা রাস্তা ছিল না বললেই চলে। কাঁচা রাস্তাই ছিল গ্রামবাসীদের নিয়তি। কিন্তু বর্তমান মেয়র গ্রামের প্রথম থেকে শেষ মাথা পর্যন্ত পাকা সড়ক নির্মান করে দিয়েছেন। উপরন্ত গ্রামটি ক্রমাগত ধলেশ্বরী ও মেঘনার ভাঙ্গনে ক্ষীনকায়ে বাধ্য হচ্ছিল। মেয়র ব্যক্তিগত উদ্যোগে নদী ভাঙ্গনব রোধ স্থায়ী বাধ নির্মানের ব্যবস্থা করেণ।

ব্যক্তিগত ভাবে হাজী ফয়সাল বিপ্লব আধুনিক বিজ্ঞানমনস্ক, রুচিবোধ সম্পন্ন, দক্ষ-অভিজ্ঞতার মিশেলে শানিত মেধার অধিকারি যা পুরাতন বাসষ্ট্যান্ড সংলগ্ন আল্লাহু চত্বর ও পুরাতন কাচারিতে আসমাউল হুসনা চত্বর থেকে প্রতীয়মান হয়। দেশে বিদ্যমান করোনা ভাইরাসকালীন সরকারি সাধারণ ছুটি ও লক ডাউনে মারাত্মক অর্থনৈতিক ক্ষতিতে নিমজ্জিত পৌরবাসীর মাঝে ৫ হাজার করে ২ দফায় ১০ হাজার পরিবারের মাছে খাদ্য-সামগ্রী বিতরণ করেন। মেয়র ব্যতিক্রম বা ভিন্ন ষ্টাইলের মানুষ তাই খাদ্য সামগ্রী গ্রহন করতে কাউকে যেমন লাইন ধরে দাঁড়াতে হয়নি তেমনি কোথাও যেতেও হয়নি। তিনি নিজে বাড়ী বাড়ী পৌছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। বর্তমানে বেশ ক’দিন ধরেই স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনায় পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের কিয়দাংশ অর্থাৎ মাঠপাড়াকে রেড জোন ঘোষনা পূর্বক লক ডাউন করা হয়েছে। প্রশাসনের এ অভিযাত্রায় ও মেয়র স্বপ্রানোদিত সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য ভ‚মিকা রাখতে সক্ষম হয়েছেন। লক ডাউনকালীন অধিবাসী বা যাতে নুন্যতমও দূর্বিপাকে পতিত না হয় সেজন্য ব্যক্তিগত অর্থায়নে ৫টি ক্যাম্পস্থাপন করে দিয়েছেন। প্রতিটি ক্যাম্পে ৬ জন করে স্বেচ্ছাসেবী নিয়োজিত পূর্বক অত্যন্ত শান্তি শৃংখলায় লক ডাউন প্রতি পালিত হচ্ছে। এছাড়া ইতোমধ্যে মেয়র ফয়সাল বিপ্লব লক ডাউনের অন্তর্ভুক্ত ৩ শতাধিক পরিবারের মাঝে ১০ কেজি চাল, ২ কেজি ডাল, ২ লিটার তৈল, লবর, দুধসহ বিভিন্ন পন্য সামগ্রী ঘরে ঘরে পৌছে দিয়েছেন।

সদা প্রচার বিমুখ মানবিক এই মেয়র হাজী মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব ইতোপূর্বে কথা প্রসঙ্গে এ প্রতিবেদককে বলেন, দেহে প্রাণ অব্দি ‘মানবতার ঝান্ডা’ উড্ডীন থেকে কভুওম্লান হতে দিবেন না। হোকনা তা যতই দূর্ঘম বা বন্ধুর পথ তা অতিক্রমে কখনো পিছপা হবেন না। মুন্সীগঞ্জ পৌরবাসীর জন্য ইত্যাবসরে জীবন উৎসর্গীকৃত বলে আরো জানান তিনি।


এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com
0Shares
0Shares