Logo
ব্রেকিং নিউজ :
Wellcome to our website...

করোনা মোকাবেলায় খেটে খাওয়া মানুষের পাশে মুন্সীগঞ্জ জেলা-পুলিশ

তুষার আহাম্মেদ 89 বার
আপডেট সময় : Monday, May 10, 2021
করোনা মোকাবেলায় খেটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে মুন্সীগঞ্জ জেলা-পুলিশ

5

মহামারি করোনার মোকাবেলায় খেটে খাওয়া, অসহায়, দরিদ্র ও বেধে সম্প্রদায়ের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান বিপিএম (বার), পিপিএম (বার) প্রতিষ্ঠিত উত্তরণ ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে জেলার মিরকাদিম পৌর এলাকা এবং লৌহজং উপজেলার গোয়ালিমান্ডা এলাকার পিছিয়ে পড়া প্রায় এক হাজার বেদে সম্প্রদায়ের পরিবারের মাঝে ত্রান সহায়তা দেয়া হয়েছে।

গতকাল রবিবার দুপুর থেকে বিকেলে পর্যন্ত মিরকামি এবং লৌহজং উপজেলার গোয়ালিমান্ডা এলাকার বেদে সম্প্রদায়ের পরিবারের মাঝে দেয়া হয় এই ত্রান সহায়তা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে বেদে সম্প্রদায়ের হাতে ত্রান সহায়তা তুলে দেন মুন্সীগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন পিপিএম। ত্রান প্রদানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) মো. নাজমুর রায়হান, সহকারী পুলিশ সুপার ( শিক্ষানুবিশ) মো. রায়হান কবির, সহকারী পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মো. মিনহাজ Ñ উলÑ ইসলাম , জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবির (ওসি) মোজাম্মেল হক মানুন, মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) আবু বকর সিদ্দিক, লৌহজং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসাইনসহ আরো অনেকে।

ত্রান বিতরনকালে প্রধান অতিথির বক্তেব্য বেদে সম্প্রদায়ের লোকজনদেরকে উদ্দেশ্য করে পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন পিপিএম বলেন, খেটে খাওয়া মানুষকে আমি শ্রদ্ধা এবং স্যালুট জানাই। কেউ লোভের বশবতি হয়ে মাদকসহ অন্যান্য অপরাধে জড়িত হবে না । আপনাদের পরিশ্রম করার জন্য দুইটা হাত আছে, দেখার জন্য চোখ আছে। আপনারা হতাশ হবেনা না । পিছিয়ে পড়া বেধে ও তৃতীয় লিঙ্গের জনগোস্টি আর্থিক এবং সামাজিক জীবনমান উন্নয়নের লক্ষে উত্তরণ ফাউন্ডেশন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আপনাদের ছেলে মেয়েদেরকে অল্প বয়সে বিয়ে দিবেন না। আপনাদের ছেলে সন্তানদেরকে শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত করবেন না। যেকোন প্রয়োজনে উত্তরণ ফাউন্ডেশ আপনাদের পাশে থাকবে। এছাড়াও তিনি করোনা মোকাবেলায় বেদে সম্প্রদায়ের মানুষগুলোকে স্বাস্থ্য সচেতন হওয়ার নানা বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করেন।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা করোনা মোকাবেলায় সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে সামাজিক দ‚রত্ব- কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করা, ত্রান সহায়তা,খাদ্য বিতরণ, অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নেয়া ও মৃত ব্যক্তির সৎকারের মতো কাজগুলো করেছে পুলিশ। আক্রান্তদের হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা, লকডাউন ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত, নিজস্ব অর্থায়নে অসহায়দের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ, ন্যায্যম‚ল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রিসহ নানা ধরনের কর্মকাÐ চালিয়ে যাচ্ছেন এ বাহিনীর সদস্যরা। নিজ দায়িত্বের বাইরে ‘মানবিক পুলিশ’ হিসেবে মানুষের পাশে থেকে সেবা দিচ্ছে। জনগণকে সেবা দেওয়ায় সাধারণ মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থন এবং ভ‚য়সী প্রশংসা পেয়েছে পুলিশ। করোনায় পুলিশ যেভাবে জনগণের কাছে গেছে, তাদের পাশে থেকেছে, তাদের সুরক্ষা দিয়েছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। পুলিশ মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায় স্থান করে নিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com
0Shares
0Shares