Logo
ব্রেকিং নিউজ :
Wellcome to our website...

টঙ্গিবাড়ীতে ব্রীজ উঠতে হয় বাঁশের সাঁকো

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : Tuesday, October 27, 2020
টঙ্গিবাড়ীতে ব্রীজ উঠতে হয় বাঁশের সাঁকো

1

টঙ্গিবাড়ীতে ব্রীচের এপ্রোচ না থাকায় বাঁশের সাঁকো দিয়ে উঠতে হয় ব্রীজে। সরেজমিনে,ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় উপজেলার যশলং ইউনিয়নের নয়না গ্রামে গিয়ে দেখা যায় বাঘিয়া খালের উপর সরকারী অর্থায়নে নির্মিত ব্রীজটির দু-পাশের এপ্রোচ ধ্বসে রয়েছে।

মূল ব্রীজ হতে এপ্রোচের মাটি প্রায় ৩ ফিট নিচে থাকায় ও ব্রীজ দিয়ে কোন যানবাহন যাতায়াত করতে পারছেনা। ব্রীজের এপ্রোচের একপাশে বাঁশ দিয়ে ব্রীজে উঠার জন্য সাঁকো বানিয়ে ওই ব্রীজে উঠানামা করছে ওই পথে যাতায়াতকারীরা। এপ্রোচ না থাকায় ৩ শিশু বাই সাইকেল নিয়ে ও ব্রীজ পার হতে গিয়ে চরম বিপাকে পরেছে। এক শিশু অপর আরেক শিশুর সহয়তায় সাইকেল এপ্রোচ দিয়ে পার করছেন। তাদের সাথে কথা বলতে চাইলে তারা পাশের বাঘিয়া বাজারে যাচ্ছেন বলে দ্রুত চলে যায়।

ওই পথে দুধের বালতি হাতে পাশের বাঘিয়া বাজারে যাচ্ছেন বৃদ্ধ জয়নাল আবেদিন। শক্ত হতে বলতি ধরে এপ্রোচের পাশের বাশের সাঁকো দিয়ে পা গুনে সতর্কতার সাথে পার হচ্ছে সে। জয়নাল আবেদিন জানান, এ ব্রীজ হওয়ার থেকে না হওয়ায়ই ভালো ছিলো। কাঠের পুল হলেও তার গোড়া এর চেয়ে ভালো থাকতো। ভালোভাবে পায়ে হেটে পার হওয়া যেতো। স্থাণীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের অর্থায়নে নির্মিত ওই ৫ মি: চেইনের ২৭ মিটার দৈর্ঘ্যর ব্রীজটি ২০১৭ সালের ১৪ই মে উদ্বোধন করা হয়।

উপজেলার যশলং, নয়না, বাঘিয়া গ্রামের কয়েক হাজার লোকজন ওই ব্রীজ দিয়ে যাতায়াত করে। ভুক্তভোগীরা জানান, ব্রীজের গোড়ায় মাটি না থাকায় আমাদের হামগুড়ি দিয়ে ব্রীজের উপর উঠতে হয়। পাশে বাশেঁর সাকো থাকলেও অনেকে ভয়ে সাকো দিয়ে চরতে অভ্যস্থ না হওয়ায় লাফিয়ে সাঁকোতে উঠানামা করেন।

এ ব্যপা‌রে টঙ্গিবাড়ী উপ‌জেলা প্র‌কৌশলী শাহ মোয়া‌জ্জেম হো‌সেন জানান, অা‌মি টঙ্গিবাড়ীতে যোগদানের অা‌গে এ ‌ব্রি‌জের কাজ‌টি হ‌য়ে‌ছে তবে অা‌মি খোজ নি‌য়ে ব্যবস্থা নিবো।


এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com
0Shares
0Shares