Logo
ব্রেকিং নিউজ :
Wellcome to our website...

দেশে মৃত্যু আরো ৯৭

অনলাইন ডেস্ক 63 বার
আপডেট সময় : Tuesday, April 27, 2021

4

নভেল করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে দেশে আরো ৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ওই ৯৭ জনের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে দেশে কোভিডে মৃত্যুর সংখ্যা হলো ১১ হাজার ১৫০। আগের ২৪ ঘণ্টায় ১০১ জনের মৃত্যু হয়। এর আগে ১৬ থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত টানা চার দিন দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা ১০০-এর ওপরে ছিল। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, শেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে কোভিড শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ৩০৬ জনের শরীরে। এ নিয়ে দেশে কোভিড শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা হলো ৭ লাখ ৪৮ হাজার ৬২৮।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, কোভিডে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছিল ৯৮ জনের। গত বুধবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় মারা যান ৯৫ জন। গত ২০ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছিল ৯১ জনের। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় ১১২ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এটিই এখন পর্যন্ত দেশে এক দিনে মৃত্যুর সর্বোচ্চ সংখ্যা। গত ১৮ এপ্রিল সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছিল ১০২ জনের। এর আগে পরপর দুদিন ১০১ জন করে মারা গিয়েছিলেন। গত ১৫ এপ্রিল সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৯৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছিল ৯৬ জনের।
——গতকাল দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৫০টি ল্যাবে ২৫ হাজার ৭৮৬টি নমুনা পরীক্ষা করে কোভিড পাওয়া গেছে ৩ হাজার ৩০৬ জনের। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্ত হার ১২ দশমিক ৮২ শতাংশ। এ ছাড়া শেষ ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ২৫ হাজার ৮৬৪টি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, শেষ ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৯৭ জনের মধ্যে পুরুষ ৬১ এবং নারী ৩৬ জন। তাদের মধ্যে ৫৯ জনই ষাটোর্ধ্ব বয়সি। অন্যদের মধ্যে একজনের বয়স ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে, দুজনের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে, চারজনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে, ১০ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে এবং বাকি ২১ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে। শেষ ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগেরই ৬৩ জন। এ ছাড়া আছে চট্টগ্রাম বিভাগে ১২ জন; খুলনা ও সিলেট বিভাগে ছয়জন করে; রাজশাহী বিভাগে চার; বরিশাল বিভাগে তিন; রংপুর বিভাগে দুই এবং ময়মনসিংহ বিভাগে একজন। ৯৩ জনই মারা গেছেন হাসপাতালে। বাকি চারজনের মৃতু হয়েছে বাড়িতে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, শেষ ২৪ ঘণ্টায় বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরো ৪ হাজার ২৪১ জন কোভিড রোগী সুস্থ হয়েছেন। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত সুস্থ হওয়া রোগীর সংখ্যা ৬ লাখ ৬১ হাজার ৬৯৩। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৩ লাখ ৭১ হাজার ২৮৭টি। দেশে মোট পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্ত হার ১৩ দশমিক ৯৪ শতাংশ। মোট শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

মার্চের শুরু থেকেই দেশে নতুন করে কোভিড সংক্রমণ বাড়তে থাকলেও মাসের শেষ দিক থেকে তা বাড়তে থাকে দ্রুতগতিতে। গত ৭ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড শনাক্ত হয় ৭ হাজার ৬২৬ জনের। দেশে এটিই এখন পর্যন্ত এক দিনে শনাক্ত রোগীর সর্বোচ্চ সংখ্যা। এর আগেও পরপর তিন দিন দৈনিক সাত হাজারের বেশি রোগী শনাক্ত হয়। গত ৬ এপ্রিল সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে কোভিড শনাক্ত হয়েছিল ৭ হাজার ২১৩ জনের দেহে। গত ৫ এপ্রিল সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছিল ৭ হাজার ৭৫ জনের। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছিল ৭ হাজার ৮৭ জনের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, গত রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৫০টি ল্যাবে ২১ হাজার ৯২২টি নমুনা পরীক্ষা করে কোভিড পাওয়া যায় ২ হাজার ৯২২ জনের। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্ত হার ১৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। গত শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৫০টি ল্যাবে ২০ হাজার ৫৭১টি নমুনা পরীক্ষা করে কোভিড পাওয়া যায় ২ হাজার ৬৯৭ জনের। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্ত হার ১৩ দশমিক ১১ শতাংশ। গত শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৩৪৯টি ল্যাবে ২৫ হাজার ৮৯৬টি নমুনা পরীক্ষা করে কোভিড পাওয়া যায় ৩ হাজার ৬২৯ জনের। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্ত হার ১৪ শতাংশ। গত ২২ এপ্রিল বৃস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৩৪৯টি ল্যাবে ২৭ হাজার ৪২৯টি নমুনা পরীক্ষা করে কোভিড পাওয়া গিয়েছিল ৪ হাজার ১৪ জনের। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্ত হার ১৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৩৫টি ল্যাবে ২৮ হাজার ৪০৮টি নমুনা পরীক্ষা করে কোভিড পাওয়া গিয়েছিল ৪ হাজার ২৮০ জনের। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্ত হার ছিল ১৫ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। গত ২০ এপ্রিল সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হার ছিল ১৬ দশমিক ৮৫ শতাংশ। আগের ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হার ছিল ১৭ দশমিক ৬৮ শতাংশ। গত ১৮ এপ্রিল সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হার ছিল ১৯ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ। গত ১৭ এপ্রিল সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হার ছিল ২১ দশমিক ৪৬ শতাংশ। গত ১৬ এপ্রিল সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হার ছিল ২৩ দশমিক ৩৬ শতাংশ। গত ১৫ এপ্রিল সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হার ২১ শতাংশ। আগের ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হার ছিল ২০ দশমিক ৮৯ শতাংশ। গত ১৩ এপ্রিল সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হার ছিল ১৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। ১২ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হার ছিল ২০ দশমিক ৫৯ শতাংশ। ১১ এপ্রিল সকাল পর্যন্ত ২৪ শনাক্ত হার ছিল ১৯ দশমিক ৮১ শতাংশ। আগের ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হার ছিল ২০ দশমিক ৪৯ শতাংশ। গত ৯ এপ্রিল সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হার ছিল ২৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ। ৮ এপ্রিল সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হার ছিল ২০ দশমিক ৬৫ শতাংশ। ৭ এপ্রিল সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হার ছিল ২২ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ।
দেশে কোভিড শনাক্ত হার ২০ শতাংশের বেশি হয়েছিল গত বছরের মে মাসের শেষ দিকে। সেখান থেকে কমতে কমতে এ হার চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ৩ শতাংশের নিচে নেমে এসেছিল। গত মাসের শেষ দিক থেকে আবার বাড়ছে শনাক্ত হার।
কোভিডে আক্রান্ত হয়ে গত ১৩ এপ্রিল সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয় ৬৯ জনের। গত ১২ এপ্রিল সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় মারা গিয়েছিলেন ৮৩ জন। আগের ২৪ ঘণ্টায় ৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল। গত ১০ এপ্রিল সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছিল ৭৭ জনের। গত ৯ এপ্রিল সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছিল ৬৩ জনের। এর আগে ৮ এপ্রিল সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
দেশে নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রথম শনাক্ত হয়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। এর ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম কোভিডে মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ার এক বছর পর গত ৭ মার্চ শনাক্ত রোগীর সংখ্যা সাড়ে পাঁচ লাখ ছাড়িয়ে যায়। গত বছরের ৩০ জুন সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৬৪ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com
0Shares
0Shares