Logo
ব্রেকিং নিউজ :
Wellcome to our website...

পৌরবাবাসীর বিশ্বাস ও আস্থার প্রতীক মেয়র ফয়সাল বিপ্লব

তুষার আহাম্মেদ 57 বার
আপডেট সময় : Saturday, December 5, 2020
পৌরবাবাসীর বিশ্বাস ও আস্থার প্রতীক মেয়র ফয়সাল বিপ্লব

4

আশাতীত উন্নয়ণগাঁথা প্রকাশ সংকুচিত পরিসরে হলেও নাতিদীর্ঘ রচনায় রূপান্তরীত হবে যা পৌরবাসী মাত্রেই সহমত পোষন করবেন। দৃষ্টান্তনুযায়ী মাত্র ৩/৪ টি উন্নয়নের চিত্র যা পৌর নাগরিকদের মুখে-মুখে ফিরে আর বিস্মিত দৃষ্টি ভঙ্গীতে সহসাই অভিমত পোষন করেন ‘মেয়র বিপ্লব বিধায়’ সম্ভবপর হয়েছে। প্রথমত মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার তুলনামূলক পশ্চাৎপদ সমাজ রমজানবেগ, খাসকান্দি ও মোল্লারচর এলাকা। প্রথম ২ গ্রামের অধিবাসীদের নিকট কল্পনাতীত ‘আলহাজ্ব মোহাম্মদ মহিউদ্দিন সড়ক’ সুপ্রতিষ্ঠিত। ইতোমধ্যেই নাগরিকরা এর সর্বোচ্চ সুফল ভোগ করছে। এলাকাবাসীরা দৈনিক মুন্সীগঞ্জের খবরবে বলেন, তারা চিন্তাই করতে পারেননি এই জনপদে এহেন সড়ক বাস্তব।

তাদের যুগ-যুগান্তরের আজন্ম লালিত বাসনা শহরে অনুপ্রবেশের একটি র্সট-কাট রাস্তা। অধিবাসীদের এই প্রাণান্ত দাবী অবশেষে আলোর মুখ দেখছে মেয়র বিপ্লবের হাত ধরে। মেয়রের প্রশংসায় পমুখ নাগরিকরা স্পষ্ট ভাষায় অভিব্যক্তি প্রকাশ করলেন- মেয়র বিপ্লবের মাধ্যমে এই অবহেলিত জনপদকে একটি ‘সারপ্রাইজ’। তবে অভিমতে ভোলেন নি -সময় সুযোগ আসলে এর যথপোযুক্ত প্রতিদানে পিছপা বা কুন্ঠাবোধ করবেন না, যা সুস্পষ্টতই জানিয়ে দিলেন। আশাতীত অপর ১টি উন্নয়ণ যা বলিষ্ঠ নেতৃত্বগুন ও সমাজের প্রতি নিবেদন এবং দায়বদ্ধতা ব্যতীত সম্ভব নয়। শহরের সার্কিট হাউজের অদুরে ‘শিলমান্দি থেকে মুন্সীরহাট সড়ক’ অত্যন্ত সুচিন্তিত মানসিকতা পরিপক্ক ভবিষ্যৎ চিন্তক বৈ এমন প্রকল্প বাস্তবায়ণতো দুরের কথা কল্পনাও সুদুরপরাহত। কিন্তু মেয়র তার সুদূরপ্রসারী ভাবনা, আধুনিক মনস্কতা, বাস্তবাবস্থা ধারণ করার অতি মানবীয় গুনাবলী, দক্ষতা- মেধার সুসমন্বয়ে বাস্তবে পরিণত করেছেন এই সড়কটি। মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার অন্তর্গত অবস্থায়ও পৌর বিচ্ছিন্ন একটি বৃহৎ সমাজ মোল্লারচর। এলাকাবাসীর জন্ম-জন্মান্তরের একটি দাবী শহরের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার নিমিত্তে একটি ব্রীজ নির্মান। ১৯৭২ সালে টাউন কমিটি থেকে পৌরসভার উন্নীত হয় মুন্সীগঞ্জ পৌরসভা। প্রায় ৫০ বছর ধরেই তাদের এ দাবীর বাস্তবায়ণ হয়নি।

সম্প্রতি, পৌরসভার অধীনে থাকা যেসব নাগরিকদের হোল্ডিং ট্যাক্স (কর) ২৬০ টাকার মধ্যে তাদের কাছ থেকে এ বছর আর ট্যাক্স নিবে না মুন্সীগঞ্জ পৌরসভা। এ উদ্যোগের উপকারভোগী হতে চলেছে পৌরসভার প্রায় আড়াই হাজার অধিক পরিবার।

মেয়র বলেন ,‘করোনার কারনে কর্মহীন হওয়ায় পৌরসভার বহু নাগরিকদের জীবনযাপন কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষদের দূভোর্গ সবচেয়ে বেশি। এই পরিস্থিতিতে এসব মানুষের ট্যাক্স দিতে কষ্ট হবে, মানবিক দিক থেকেও ট্যাক্স চাইতে আমরাও বিব্রতবোধ করছি।’তিনি বলেন, ‘নিন্ম আয়ের নাগরিকদের দূর্ভোগ লাঘবে এই উদ্দ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মানুষের যেকোন দূর্ভোগ লাঘবে পাশে আছি।’
মেয়র আরও বলেন, ‘২৬০টাকা নির্ধারণের কারন হলো যাদের বিল্ডিং রয়েছে বা অবস্থা সম্পূর্ন তারা ট্যাক্স দিতে পারবে, কিন্ত যারা দৈনন্দিন জীবিকার উপরে জীবনযাপন করে মূলত তাদের হোল্ডিং গুলো টিনের ঘরের। এসব নিম্ন আয়ের মানুষের কাছ থেকে ট্যাক্স নেওয়া হবে না। যতদিন তাদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন না ঘটছে তাদের কাছে পৌর কর চাওয়া হবে না।’এদিকে পৌর মেয়রের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন জেলার সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও জনসাধারণ।

তবে বর্তমান মেয়রের সেক্ষেত্রে কেবল আশাতীত উন্নয়ণগাঁথা প্রকাশ সংকুচিত পরিসরে হলেও নাতিদীর্ঘ রচনায় রূপান্তরীত হবে যা পৌরবাসী মাত্রেই সহমত পোষন করবেন। দৃষ্টান্তনুযায়ী মাত্র ৩/৪ টি উন্নয়নের চিত্র যা পৌর নাগরিকদের মুখে-মুখে ফিরে আর বিস্মিত দৃষ্টি ভঙ্গীতে সহসাই অভিমত পোষন করেন ‘মেয়র বিপ্লব বিধায়’ সম্ভবপর হয়েছে। প্রথমত মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার তুলনামূলক পশ্চাৎপদ সমাজ রমজানবেগ, খাসকান্দি ও মোল্লারচর এলাকা। প্রথম ২ গ্রামের অধিবাসীদের নিকট কল্পনাতীত ‘আলহাজ্ব মোহাম্মদ মহিউদ্দিন সড়ক সুপ্রতিষ্ঠিত। ইতোমধ্যেই নাগরিকরা এর সর্বোচ্চ সুফল ভোগ করছে। এলাকাবাসীরা দৈনিক মুন্সীগঞ্জের খবরবে বলেন, তারা চিন্তাই করতে পারেননি এই জনপদে এহেন সড়ক বাস্তব। তাদের যুগ-যুগান্তরের আজন্ম লালিত বাসনা শহরে অনুপ্রবেশের একটি র্সট-কাট রাস্তা। অধিবাসীদের এই প্রাণান্ত দাবী অবশেষে আলোর মুখ দেখছে মেয়র বিপ্লবের হাত ধরে। মেয়রের প্রশংসায় পমুখ নাগরিকরা স্পষ্ট ভাষায় অভিব্যক্তি প্রকাশ করলেন- মেয়র বিপ্লবের মাধ্যমে এই অবহেলিত জনপদকে একটি ‘সারপ্রাইজ’। তবে অভিমতে ভ‚লেননি-সময় সুযোগ আসলে এর যথপোযুক্ত প্রতিদানে পিছপা বা কুন্ঠাবোধ করবেন না, যা সুস্পষ্টতই জানিয়ে দিলেন। আশাতীত অপর ১টি উন্নয়ণ যা বলিষ্ঠ নেতৃত্বগুন ও সমাজের প্রতি নিবেদন এবং দায়বদ্ধতা ব্যতীত সম্ভব নয়। শহরের সার্কিট হাউজের অদুরে ‘শিলমান্দি থেকে মুন্সীরহাট সড়ক’ অত্যন্ত সুচিন্তিত মানসিকতা পরিপক্ক ভবিষ্যৎ চিন্তক বৈ এমন প্রকল্প বাস্তবায়ণতো দুরের কথা কল্পনাও সুদুরপরাহত। কিন্তু মেয়র তার সুদূরপ্রসারী ভাবনা, আধুনিক মনস্কতা, বাস্তবাবস্থা ধারণ করার অতি মানবীয় গুনাবলী, দক্ষতা- মেধার সুসমন্বয়ে বাস্তবে পরিণত করেছেন এই সড়কটি।

মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার অন্তর্গত অবস্থায়ও পৌর বিচ্ছিন্ন একটি বৃহৎ সমাজ মোল্লারচর। এলাকাবাসীর জন্ম-জন্মান্তরের একটি দাবী শহরের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার নিমিত্তে একটি ব্রীজ নির্মান। ১৯৭২ সালে টাউন কমিটি থেকে পৌরসভার উন্নীত হয় মুন্সীগঞ্জ পৌরসভা।
প্রায় ৫০ বছর ধরেই তাদের এ দাবীর বাস্তবায়ণ হয়নি। পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, মুন্সীগঞ্জ পৌসভার অর্থনৈতিক বেষ্টনীর আওতাভ‚ক্ত থাকলে অনেক আগেই বর্তমান মেয়র অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই সেতু ইতেমধ্যেই সুসম্পন্ন করে ফেলতেন। তারা জানায় কয়েক বছর আগেও উক্ত অধিবাসীরা নৌকায় যাতায়ত করতেন। কিন্তু পৌরমেয়র শতত প্রচেষ্টায় উক্ত স্থানে একটি কাঠের সেতু করে দিয়েছেন যা দিয়ে জনগন চলাচল করছেন। মোল্লারচরে ইতোপূর্বে কোন পাকা রাস্তা ছিল না বললেই চলে। কাঁচা রাস্তাই ছিল গ্রামবাসীদের নিয়তি। কিন্তু বর্তমান মেয়র গ্রামের প্রথম থেকে শেষ মাথা পর্যন্ত পাকা সড়ক নির্মান করে দিয়েছেন। উপরন্ত গ্রামটি ক্রমাগত ধলেশ্বরী ও মেঘনার ভাঙ্গনে ক্ষীনকায়ে বাধ্য হচ্ছিল। মেয়র ব্যক্তিগত উদ্যোগে নদী ভাঙ্গনব রোধ স্থায়ী বাধ নির্মানের ব্যবস্থা করেণ।

সদা প্রচার বিমুখ মানবিক এই মেয়র হাজী মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব ইতোপূর্বে কথা প্রসঙ্গে এ প্রতিবেদককে বলেন, দেহে প্রাণ অব্দি ‘মানবতার ঝান্ডা’ উড্ডীন থেকে কভুওম্লান হতে দিবেন না। হোকনা তা যতই দূর্ঘম বা বন্ধুর পথ তা অতিক্রমে কখনো পিছপা হবেন না। মুন্সীগঞ্জ পৌরবাসীর জন্য ইত্যাবসরে জীবন উৎসর্গীকৃত বলে আরো জানান ।

অন্যদিকে, শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কের পৌরসভার নিকট থেকে শ্রীপল্লী পর্যন্ত রাস্তার দু’পাশে গড়ে উঠেছে উন্নতমানের আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা। এছাড়াও সুপারমার্কেট হয়ে পুরাতন বাসষ্টান্ড এবং মানিকপুর রোডেও রয়েছে উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা। পাশাপাশি কাচারি থেকে জেলখানা রোডের মোড় পর্যন্ত শহরের মূল ড্রেনটির অবস্থান। সড়কটির দু’পাশে তৈরী করা হয়েছে আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা। এই ড্রেনের মাধ্যমে পুরো শহরবাসী ব্যাপক সুফল পাচ্ছেন। ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করায় শহরজুড়ে কোথাও জলাবদ্ধতা নেই । উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থার সুফলেই বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা কি সেটা অনুভব করতে পারেনি পৌরবাসী। এবারও বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি মিলেছে উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারনে। বৃষ্টির পানি ড্রেনের মাধ্যমে আশপাশের নদীতে চলে গেছে। শহরে প্রায় ৪/৫টিরও বেশি খাল বৃষ্টির পানি ধরে রাখত। কিন্তু খাল-নালাগুলো দখল-ভরাট হয়ে পানি নিষ্কাশনে ভাটা পড়েছিলো। সুশিল সমাজের ভাষ্য মতে, ‘বর্তমান মেয়রের উন্নয়নের ছোঁয়ায় আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে ওঠায় জলাশয়ের পানি এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের ব্যবহৃত পানি দ্রুত অপসারণ হচ্ছে উন্নত ড্রেন দিয়ে। কার্যকরী উদ্যোগ আর যথাযথ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার ফলে মুন্সীগঞ্জ শহর দেশের অন্যতম সৌন্দর্যমন্ডিত শহরে পরিণত হয়েছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে পৌর মেয়রের দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রশংসনীয়। পৌরসভার মেয়র হাজী মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি একের পরে এক বাস্তবায়ন করে ইতোমধ্যেই মুন্সীগঞ্জ পৌরবাসীর মনে আস্থার প্রতিক হিসেবে জায়গা করে নিতে সক্ষম হয়েছেন।’ স্থানীয় বাসিন্দা সাদিয়া আফরিন জানান, ‘জলাবদ্ধতার ভোগান্তি কি সেটা বিগত বছরগুলোতে আমরা দেখিনি। বৃষ্টির সময়ে আমাদের এলাকায় পানি জমে কোন জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়নি। পর্যাপ্ত বৃষ্টিও দরকার আছে! কেননা বৃষ্টি হলে শহরের ময়লা-আবর্জনা সাফ হয়ে যায়। দূষণে কালো হয়ে যাওয়া আশপাশের নদ-নদীগুলো প্রাণ ফিরে পায়।’

আরেক বাসিন্দা পারুল বেগম জানান, ‘শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে পৌর মেয়র দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছেন। ফলে অন্যান্য জেলা শহরের তুলনায় জলাবদ্ধতা নেই বললেই চলে। পৌর সভার ড্রেনেজ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। শহরবাসীও সচেতন হচ্ছে। নির্ধারিত স্থানে বাসা বাড়ীর ময়লা ফেলছে আবার বাসা থেকে পৌরসভার পরিচ্ছন্ন কর্মীরা নিয়মিত ময়লা নিয়ে যাচ্ছে। উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা আর পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে পৌর মেয়র অনেক দায়িত্বশীল। ফলে শহরজুড়ে ময়লা আবর্জনার কোন চিহ্ন নেই। পাশাপাশি শহরজুড়ে দৃশ্যমান কোন জলাবদ্ধতাও নেই। শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে পৌর মেয়র যে উন্নয়ন কর্মকান্ড করেছে সেটা উন্নয়নের রোল মডেল যা পৌরবাসীর কাছে আজীবন দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
পৌর মেয়র হাজী মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব বলেন, ‘আমি একজন জনগণের সেবক। জনগণের কথা চিন্তা করে পৌর এলাকার উন্নয়ন করেছি। দৃশ্যমান উন্নয়নের সুফল শহরবাসী পেলেই আমার পরিশ্রম স্বার্থক হবে। মুন্সীগঞ্জ শহরকে আধুনিক এবং উন্নত পৌরসভা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি।’

পৌরসভার মেয়র হাজী মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লব তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি একের পরে এক বাস্তবায়ন করে ইতোমধ্যেই মুন্সীগঞ্জ পৌরবাসীর মনে আস্থার প্রতিক হিসেবে জায়গা করে নিতে সক্ষম হয়েছেন। শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কের পৌরসভার নিকট থেকে শ্রীপল্লী পর্যন্ত রাস্তার দু’পাশে গড়ে ওঠা উন্নতমানের ড্রেনেজ ব্যবস্থায় শহরজুড়ে কোথাও নেই জলাবদ্ধতা। এই ড্রেনের মাধ্যমে পুরো পৌরবাসী ব্যাপক সুফল পাচ্ছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com
0Shares
0Shares