Logo
ব্রেকিং নিউজ :
Wellcome to our website...

প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : Saturday, November 21, 2020
কে. কে গভ. ইনিস্টিটিউশন

5

কে.কে গভ.ইনস্টিটিউশনে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টিফিন ফিসহ অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষকের নানান অনিয়মে ক্ষুব্দ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। করোনাকালিন সময়ে মুন্সীগঞ্জের কে কে গভ. ইনিস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক মুনসুর আহম্মেদ কোন প্রকার বেতন কার্ডে টাকা উল্লেখ না করে শিক্ষার্থীর কাছ থেকে আদায় করছে ৮৮৫ থেকে ১০৮০ টাকা। অথচ মার্চ থেকে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিলো বন্ধ। হয়নি কোন ক্লাস । শিক্ষার্থীদেরও দেয়া হয়নি টিফিন। তবুও শিক্ষার্থদের কাছ থেকে নয় মাসের বেতন এবং টিফির ফি আদায় করছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক মনসুর আহমেদ খান। অথচ শিক্ষার্থীদের বেতন কার্ডে কোন টাকার উল্লেখ নেই। দেওয়া হচ্ছে না তাদের কোন ধররে টাকার রশিদ বা প্রমান পত্র। শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিবাবকদের অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধানে নামে প্রতিবেদক। অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম এবং দূর্নীতির তথ্য।

এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষযটি গুরুত্বসহকারে দেখছে জেলা প্রশাসন। অন্যদিকে সংবাদ প্রকাশের পর কে.কে গভ.ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষকের অনিয়মের বিষয়টি টপ অব দ্যা টাউন । চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সর্ব মহলে বইছে সমালোচনার ঝড়। বাদ যায়নি সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমও।

সংবাদটি ফেসবুক পেইজে শেয়ার করার পর শত শত ভুক্তভোগী, অভিভাবক এবং সাধারন মানুষ নানা ধরনের অনিয়মের চিত্র তুলে ধরেন কমেন্টের মাধ্যমে। বিষয়টি তদন্ত করে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়ার জন্য দাবিও জানিয়েছে অনেকে। করোনাকালীন সময়ে সরকার যেখানে মানবিক সেখানে একজন প্রধান শিক্ষক নিজের খেয়াল খুশি মত অর্থ আদায় করেছে। সরকারী নীতিমালার অপেক্ষা না করে উর্ধতন কর্মকর্তাদের পরামর্শ না নিয়ে অর্থ আদায়ের মিশনে সফল হয়েছেন প্রধান শিক্ষক মো: মুনসুর আহম্মেদ।

উল্লেখ্য- সরকারী নিষেধাজ্ঞার অপেক্ষা না করে জেলা প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তাদের কোন পরামর্শ না নিয়েই কে.কে গভ.ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেন। তবে ক্ষুব্দ হয়ে শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা জেলা শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টি অবগত করেন। প্রতিষ্টানটির প্রধান শিক্ষক মুনসুর আহম্মেদ এখনও নীতিমালা আসেনি বলেই টাকা আদায় করার নানান যৌক্তি উপস্থপন অব্যাহত রেখেছে। অথচ শহরের অন্যান্য সরকারী স্কুলগুলোতে বেতনও মওকুফ করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।


এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com
0Shares
0Shares