Logo
ব্রেকিং নিউজ :
Wellcome to our website...

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে রাষ্ট্রের করণীয়

ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম এ হামিদ 65 বার
আপডেট সময় : Tuesday, December 29, 2020
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে রাষ্ট্রের করণীয়

8

স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ৩০ জুন সমবায় সম্মেলনে সমবায়ীদের উদ্দেশে বলেছিলেন, ‘আমার দেশের প্রত্যেকটি মানুষ খাদ্য পাবে, আশ্রয় পাবে, শিক্ষা পাবে, উন্নত জীবনের অধিকারী হবে এই হচ্ছে আমার স্বপ্ন।’ এ বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর ৫৫ বছরের কণ্টকাকীর্ণ জীবনের মূল রাজনৈতিক দর্শন, গণমানুষের ভাগ্যোন্নয়নের অঙ্গীকারের প্রকাশ পেয়েছে। তার এ অভিব্যক্তির মাঝে গণমানুষের কল্যাণকেন্দ্রিক স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়ার যে দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত হয়েছে, তাতেই অন্তর্নিহিত রয়েছে একটি সদ্য স্বাধীন দেশ এগিয়ে যাওয়ার পথনির্দেশনা। বঙ্গবন্ধুর এই আকাক্সক্ষা ধারণ করে যদি সব রাজনীতিবিদ ও সর্বস্তরের সমাজপতিরা দেশের প্রত্যেকটি মানুষের জন্য খাদ্য, বাসস্থান, শিক্ষা ও উন্নত জীবন প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রীয় মূল দর্শন বাস্তবায়নে সচেষ্ট হতো; তাহলে অনেক আগেই জাতি উন্নত ও মানবিক রাষ্ট্র পেত।

যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনে আত্মনিয়োগ করেই বঙ্গবন্ধু দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য সাংবিধানিকভাবে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসাব্যবস্থা করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর প্রাজ্ঞ রাজনৈতিক চিন্তা, চেতনা, দর্শন সব সময়ই দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কল্যাণে নিবেদিত ছিল বলেই এ ধরনের অঙ্গীকার ব্যক্ত হয়েছে। তাইতো আমরা লক্ষ্য করি, ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন সুগন্ধায় একান্ত আলাপচারিতায় বঙ্গবন্ধু নবীন স্থপতিদের উদ্দেশে বলেছিলেন, ‘বাবারা শুধু ঢাকা নিয়ে পরিকল্পনা করো না, সারা দেশটারে নিয়ে পরিকল্পনা করো।’ যা আজও বাঙালি জাতিকে গর্বিত ও অনুপ্রাণিত করে।

১৯৭২ সালে প্রণীত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে দেশের প্রত্যেকটি নাগরিকের বাসস্থানের অধিকার স্বীকৃত। এক পরিসংখ্যানে জানা যায়, দেশের প্রধান শহরাঞ্চলে আবাসনের আওতায় কমবেশি ৫০ শতাংশ বাসস্থান তথা বাড়িঘর ব্যক্তি মালিকানাধীন, কমবেশি ৪০ শতাংশ ভাড়াটিয়া ও প্রায় দুই শতাংশ অবৈধ দখলের মাধ্যমে আবাসনের ন্যূনতম চাহিদা মিটাচ্ছে। গত এক দশকে সরকারের নানাবিধ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অবস্থা সুদৃঢ় হয়েছে। বেড়েছে মাথাপিছু আয় ও সম্পদের পরিমাণ। ‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষে দেশের প্রতিজন গৃহহীন মানুষের আবাসন নিশ্চিত করার জন্য সরকার পরিকল্পনা নিয়েছে। পরিকল্পনার আওতায় দেশের গৃহ ও ভূমিহীন ৬ লাখ ৮ হাজার পরিবারকে একটি করে পাকাবাড়ি নির্মাণ করে দেবে সরকার। প্রতিটি বাড়ির জন্য সম্ভাব্য নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ লাখ টাকা। সে হিসাবে মোট প্রকল্প ব্যয় দাঁড়ায় ২৪ হাজার ৩২০ কোটি টাকা। সরকারের এ কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গ্রাম ও গণমুখী রাজনীতির প্রতিফলন। সরকারের ‘সবার জন্য গৃহ’ কর্মসূচি সামনে রেখে আইডিইবি সীমিত পরিসরে কিছু গৃহহীনকে গৃহনির্মাণ করে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে। অনুরূপভাবে দেশের সামর্থ্যবান ব্যবসায়ী, শিল্পপতি,

আমলা, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সাংগঠনিকভাবে গৃহহীনদের গৃহনির্মাণের উদ্যোগ নিলে দেশের অধিকাংশ গৃহহীনের বাসস্থান সমস্যার সমাধান হতো। তবে স্বল্প আয়তনের ঘনবসতিপূর্ণ বাংলাদেশে পরিকল্পিত আবাসন নিশ্চিত করতে হলে গ্রাম ও শহরের মধ্য বিদ্যমান বৈষম্য হ্রাস জরুরি।

তাই দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি টেকসই আবাসভূমি রেখে যাওয়ার স্বার্থে যত দ্রুত সম্ভব জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম গ্রামপর্যায়ে বিস্তৃত করে দেশের প্রতিটি গ্রামে পরিকল্পিত আবাসন ব্যবস্থা গড়াসহ পরিকল্পিত বাংলাদেশ গড়তে নিন্মোক্ত সুপারিশ বাস্তবায়নে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ করছি।

১. জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের শহরভিত্তিক কার্যক্রম সীমিত করে (কারণ দেশের প্রায় সব শহরের উন্নয়নে একাধিক প্রতিষ্ঠান কাজ করছে) প্রতিষ্ঠানটির সামগ্রিক কার্যক্রম গ্রাম, ইউনিয়ন ও উপজেলায় বিস্তৃত করা উচিত। সেই পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিটি উপজেলা পর্যায়ে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের উপসহকারী প্রকৌশলী দপ্তর বা উপসহকারী স্থপতির দপ্তর প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে। প্রাথমিকভাবে এত জনবল একত্রে নিয়োগ দেওয়া না গেলেও অর্ধেক উপজেলায় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের জনবল প্রেরণ করে এবং বাকি অর্ধেক উপজেলায় বর্তমানে কর্মরত জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল, এলজিইডি, পিআইও, কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের উপসহকারী প্রকৌশলীদের তাদের কাজের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নিয়নীতি অনুযায়ী গ্রামীণ গৃহায়ন কার্যক্রম শুরু করার জন্য সরকারি নির্দেশনা জারি করা যেতে পারে। পরে পর্যায়ক্রমে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নিজস্ব জনবল পোস্টিং দেওয়া যেতে পারে।

২. গ্রামীণ জনপদের সর্বত্র ঘরবাড়ি, রাস্তা, পুকুর, বাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইত্যাদি সবকিছু পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলার জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রতিটি থানা/ইউনিয়নে সার্ভে করে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা যেতে পারে। জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে এই কাজের জন্য প্রাইভেট সার্ভে টিম চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে; যারা সরকারি নীতিনির্ধারণী গাইডলাইন অনুযায়ী মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করবে।

৩. জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ প্রাথমিকভাবে দেশব্যাপী পরিকল্পিত গ্রামীণ জনপদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ‘কৃষি জমি রক্ষা করো, পরিকল্পিত গ্রাম গড়’Ñ এই রাষ্ট্রীয় নীতির ভিত্তিতে জনমত গঠনে উদ্যোগী ভূমিকা পালনসহ গৃহনির্মাণ সুযোগ ও সুবিধা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গ্রামীণ রাস্তা, পানি, বিদ্যুৎ, টেলিযোগাযোগ ইত্যাদি সুবিধা প্রদানে দায়িত্ব পালন করবে। এলোপাতাড়ি ঘরবাড়ি নির্মাণে নিরুৎসাহিতকরণ ও ক্লাস্টার ভিলেজ নির্মাণে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে সরকারের সম্পদ বিবেচনাপূর্বক স্বল্প পরিমাণ জমিতে সরকারের অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ঘরবাড়ি নির্মাণে স্বল্পসুদে ঋণ প্রদানে সহযোগিতা প্রদান করবে।

৪. যত্রতত্র বাড়িঘর নির্মাণ ও আবাদি জমি নষ্ট করে নতুন বাড়ি নির্মাণে নিরুৎসাহিত করার লক্ষ্যে নতুন বাড়ি নির্মাণের স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সুপারিশক্রমে উপজেলা হাউজিং কর্তৃপক্ষের অনুমতি গ্রহণের নির্দেশনা জারি করা যেতে পারে।

৫. জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সরবরাহকৃত গ্রামীণ যৌথ মালিকানাধীন ক্লাস্টার ভিলেজের নকশায় বাড়ির আঙিনায় বা গ্রামের কোনো স্থানে কী ধরনের ফলদ, বনজ বা তরিতরকারির গাছপালা রোপণ করা যায়, সে নির্দেশনাসহ গাছপালা পরিচর্যার পরামর্শ/নির্দেশনা প্রদান করবে। জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয়ভাবে প্রাপ্ত গৃহ নির্মাণসামগ্রী এবং জনগণের চাহিদা ও পছন্দের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন মাপের ঘরবাড়ি নির্মাণ নকশা (কয়েক ধরনের বাড়ির ডিজাইন ও নকশা) প্রণয়নপূর্বক বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে সরবরাহ করে বাড়ি নির্মাণে যথাযথ পরামর্শ প্রদান ও তদারকি করে জনগণকে সাহায্য-সহযোগিতা প্রদান করতে পারে।

৬. জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত নির্ধারিত পরিকল্পিত গ্রামের নকশা অনুযায়ী ঘরবাড়ি নির্মাণে জনসাধারণকে উৎসাহিতকরণসহ ঘরবাড়ি নিবন্ধন কার্যক্রম প্রচলন এবং নিবন্ধিত ঘরবাড়ি নির্মাণে স্বল্পসুদে সম্পূর্ণ বা আংশিক গৃহঋণ প্রদান করা যেতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় গ্রামীণ জনপদে সমবায় ভিত্তিতে অথবা পারিবারিক ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে বহুতল ভবন নির্মাণে আগ্রহীদের সরকারিভাবে ঋণসহায়তা দিয়ে উৎসাহিত করা যেতে পারে। এতে একটি গ্রামের সব মানুষকেই দু-তিনটি বহুতল ভবনে বসবাসের সুযোগ করে দেওয়া সম্ভব হবে।

৭. প্রস্তাবিত ক্লাস্টার ভিলেজে গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের প্রদত্ত নকশা অনুযায়ী ব্যক্তি বা যৌথ মালিকানাধীন বহুতল বিশিষ্ট বাড়ি নির্মাণের সুযোগ থাকতে পারে। কোনো ব্যক্তি বর্তমান প্রয়োজনে এবং আগামীতে পরিবারের সদস্য বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে পর্যায়ক্রমে স্ব-উদ্যোগে ঊর্ধ্বমুখী নির্মাণকাজ করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে স্বল্পসুদে ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা থাকা বাঞ্ছনীয়।

৮. দেশব্যাপী জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম গ্রাম পর্যায়ে বিস্তৃতকরণ ও তার সুষ্ঠু বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ক্লাস্টার ভিলেজ নির্মাণ কার্যক্রমকে জনপ্রিয়করণসহ এই কার্যক্রমে জনম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করে প্রতিটি উপজেলা এবং প্রতিটি ইউনিয়নে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে একটি করে ‘পরিকল্পিত গ্রাম উন্নয়ন কমিটি’ গঠন করা যেতে পারে।

৯. গ্রামীণ জনগণের বাসস্থানের মৌলিক সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠাসহ সাশ্রয়ী গৃহায়ন ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং কৃষিজমি রক্ষায় দেশব্যাপী পরিকল্পিত পদক্ষেপ গ্রহণ ও মনিটরিং করার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর গ্রাম সরকারের দর্শনের ভিত্তিতে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের হাউজিং অংশ ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন অংশের সমন্বয়ে অতিশীঘ্র ‘গ্রাম উন্নয়ন ও গৃহায়ন মন্ত্রণালয়’ প্রতিষ্ঠা করা উচিত। ‘পল্লী উন্নয়ন’ এই পোশাকি শব্দ পরিহারপূর্বক গ্রামীণ জনপদ ও সরকারের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করতে হবে।

১০. বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন অনুযায়ী সমবায় ব্যবস্থার আওতায় দেশব্যাপী পরিকল্পিত আবাসন ও যান্ত্রিক চাষাবাদ ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে কৃষিজমি রক্ষায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্রভাবে বিভক্ত জমির আইল/রাতর উঠিয়ে লক্ষাধিক হেক্টর জমি চাষাবাদের আওতায় আনতে হবে; যা আগামী প্রজন্মের জন্য খাদ্যপ্রাপ্তি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

১১. বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা দর্শন ‘আধুনিক জ্ঞান ও কর্মশক্তিতে বলীয়ান’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের মানুষকে কারিগরি ও কৃষিশিক্ষার আওতায় দক্ষ জনবল গঠনসহ সমগ্র জাতিকে বাধ্যতামূলক একমুখী শিক্ষার আওতায় শিক্ষিত করে তুলতে হবে। দেশের প্রতিটি কর্মক্ষম মানুষকে বিভিন্ন পেশায় কর্মদক্ষতায় শিক্ষিত করা হলে জাতীয় প্রডাক্টটিভিটিই বৃদ্ধি পাবে না, বরং এই শিক্ষিত সমাজই একসময় স্ব-উদ্যোগেই প্রতিটি গ্রামে গড়ে তুলবে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত বহুমুখী কো-অপারেটিভ ব্যবস্থাপনা। যার মধ্য দিয়ে জাতির পিতার কাক্সিক্ষত উন্নত জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার দেশের সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ। আমার বিশ্বাস, বর্তমান সরকারের আমলে সুপরিকল্পিত উদ্যোগ ও কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের প্রতিজন মানুষকে আশ্রয়/গৃহ প্রদানে জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। যার ফলে সরকারের সুনাম ও ভাবমূর্তি উজ্জ্বলতর হবে এবং মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরকারের কার্যক্রম দৃশ্যমান হবে।

লেখক : উন্নয়ন গবেষক

সভাপতি, ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স

বাংলাদেশ (আইডিইবি)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com
0Shares
0Shares