Logo
ব্রেকিং নিউজ :
Wellcome to our website...

মুন্সীগঞ্জে করোনা কমিউনিটি লেবেলে ছড়িয়ে পরেছে গণসচেতনতা জরুরী

সালেহীন তুহিন 14 বার
আপডেট সময় : Thursday, April 30, 2020

1

মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন পিপিএম ‘দৈনিক মুন্সীগঞ্জের খবরের’ সঙ্গে একান্ত উন্মুক্ত আলোচনায় বলেন, জেলায় করোনা সংক্রমন কমিউনিটি লেবেলে ছড়িয়ে পরেছে। তাই জেলাবাসীকে সংক্রমিত থেকে সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে ‘গণসচেতনতার’ পন্থাবলম্বন করতে হবে। তিনি বলেন, ক্রমাগত মুন্সীগঞ্জ জেলায় সর্বত্রই করোনা সংক্রমণ বিস্তৃীত হচ্ছে। পুলিশ প্রশাসন থেকে প্রাণঘাতী কোভিড-১৯ সংক্রমণ প্রতিহতের ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা অনুসৃত পূর্বক প্রয়াসে নুন্যতম ছাড় প্রদানের অবকাশ নেই।

আব্দুল মোমেন পিপিএম বলেন, বৈশি^ক মহামারি করোনা ভাইরাসের কবল হতে মুক্তির ক্ষেত্রে যেসকল নির্দেশনা অনুসরণ প্রযোজ্য কোনভাবেই তা অত্যন্ত কঠিন কোন রীতিনীতি নয়। স্বাভাবিকভাবেই বিশ্লেষণে যা সহসাই অনুধাবন সম্ভব। দৃষ্টান্তপূর্বক তিনি বলেন, সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত, অপ্রয়োজনে ঘর থেকে বের হলে ও মুখে মাস্ক ব্যবহার করা, কোলাহল কিংবা ভীরমুক্ত থাকা, দিনে অন্তত ৭/৮ বার সাবান ব্যবহারে হাত-মুখ ধৌতকরণ, কমপক্ষে ১ মিটার বা ৩ ফুট দুরত্বে অবস্থান সহ অন্যান্য বিষয়গুলো নিঃসন্দেহে কঠিন কোন কাজ নয়। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, উপরোক্ত নির্দেশাবলী অনুসৃতে কোনও কায়িক শ্রমের প্রয়োজন হয় না।

পুলিশ সুপার বলেন, সমাজে বিদ্যমান ব্যক্তিবর্গের যে কেউ ‘আন্তরিক’ হলেই সংক্রমণের ভয়াল গ্রাস থেকে মুক্ত হওয়া সম্ভব। তিনি বলেন, দেশে ঘোষিত লক ডাউনের প্রাক্কাল থেকেই এক্ষেত্রে গণসচেতনতা বৃদ্ধিকল্পে পুলিশের তরফ থেকে যথোপোযুক্ত কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। গণমাধ্যম সহ নানাভাবে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী বিভিন্ন দেশে করোনা সংক্রমিতে বেসামাল পরিস্থিতির কারনে এর ভয়াবহতার বিষয়টি সুস্পষ্ট হয়। সেই আলোকেই পূর্ব প্রস্তুতির ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে, যা মুন্সীগঞ্জ জেলায় করোনা সংক্রমণ রোধে কার্যকরি হয়েছে।

আব্দুল মোমেন পিপিএম পরিতাপের সঙ্গে উল্লেখ করেন, যেহেতু কায়িক শ্রম ব্যতীত সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা অনুসরণে সংক্রমণ ঠেকানো যায়। তাই জনসাধারন সেচ্ছায় আন্তরিকভাবে উদ্যোগী হলে সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা সম্ভব ছিল। তিনি সমাজের বিশেষ কিছু মানুষের উদাহরন টেনে বলেন, শারিরীকভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অধিক। কিন্তু সেসকল ব্যক্তিবর্গ বিচ্ছিন্ন চলাচলের ক্ষেত্রে কখন যে, করোনা সংক্রমনের জীবানু বহন করবেন তা অজ্ঞাতই থেকে যাবে। ফলে উল্লেখিত ব্যক্তি যখনই বাড়ী বা ঘরে ফিরবেন, তার বৃদ্ধ বাবা-মা, স্ত্রী-সন্তান ও সংক্রমিত হতে পারেন। তিনি সর্বসাধারনের উদ্দেশ্যে বলেন, নিজের পক্ষে যদি করোনা সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা সম্ভব হয়, তাহলে খুব স্বাভাবিকভাবেই তার পরিবার সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাবে। পরিবার থেকে সমাজ এবং সমাজ থেকে দেশ উপকৃত হবে।

পুলিশ সুপার বলেন, গণ মানুষকে যথাযথ সচেতন, অযথা ঘর থেকে বের হয়ে ঘোরাঘুরি, দরকারি কাজ শেষ করেও ঘরে না ফেরা, জনগোষ্ঠীকে নির্দেশনা অনুসরণে জেলা সদর সহ অন্যান্য ৫টি উপজেলায় পুলিশ বিরামহীন কাজ করে যাচ্ছে। শুধু মুন্সীগঞ্জ শহর ও আশপাশেই ৮ টি চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। কেননা জনগনের একটি সহজাত প্রবণতা শহরকেন্দ্রিক। তাই শহরেই তুলনামূলক কর্মকান্ড অধিক পরিচালিত হচ্ছে। দেশের অবস্থা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই ধারাবাহিকতা অক্ষুন্ন থাকবে বলে তিনি সুদৃঢ় অভিমত পোষন করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com
0Shares
0Shares