Logo
ব্রেকিং নিউজ :
Wellcome to our website...

হাসপাতালের সিসি ক্যামেরা গুলো এখনও অচল

এম এম রহমান
আপডেট সময় : Saturday, November 21, 2020
সিসি ক্যামেরা গুলো এখনও ঠিক হয়নি

5

মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা স্থাপন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালটির প্রধান ফটক, বহি: বিভাগ, ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন স্থানে চালু ছিলো ১২টি সিসি ক্যামেরা। হাসপাতালের নিচ তলার করিডোর, টিকেট কাউন্টার, বহি: বিভাগ এবং হাসপাতালের প্রবেশ মুখের সামনের ক্যামেরাগুলো তিনমাস যাবত নষ্ট হয়ে আছে। সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত নিচ তলার প্রতিটা রুম এবং রুমের বাইরে থাকে রোগীদের উপচে পড়া ভিড়। হাসপাতালটিতে প্রতিনিয়ত রোগীদের ভিড়ে ছদ্দবেশে নারী / পুরুষ ছিনতাইকারীদের অবস্থান। রোগীদের পকেট কিংবা কাঁধে ঝুলানো ব্যাগ কেটে নিয়ে যাচ্ছে মোবাইল ও নগদ টাকা। মানুষের ভিড়ে রোগী এবং রোগীর স্বজনরা মোবাইল হারালে তা কখনও খুঁজে পায়নি। ধরাও পড়েনি কোন চোর বা ছিনতাইকারী। প্রতিদিন নিচতলায় ঘটছে চুরির ঘটনাও। মাঝে মধ্যে মুন্সীগঞ্জ সদর ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যদের হাসপাতালের প্রধান ফটকে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়। জেলার একমাত্র চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ফকটের ক্যামেরাগুলো নষ্ট থাকায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী এবং রোগীর স্বজন। মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল সুত্রে জানাগেছে, হাসপাতালটির নিরাপত্তা নিশ্চিতে ১২ টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিলো। তিনমাস আগে ভবনটির সামনের অংশের নিচতলার ৪টি ক্যামেরা নষ্ট হয়ে যায়। অন্ত: বিভাগে এবং ওয়ার্ডগুলোতে বর্তমানে ৮টি ক্যামেরা সচল আছে। দীর্ঘদিন ক্যামেরাগুলো নষ্ট হয়ে থাকলেও আজও ঠিক করা হয়নি ক্যামেরাগুলো।

সরেজমিনে হাসপাতালটিতে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের ভবনের পা রাখলেই চোখে পড়ে সামনের ক্যামরাটির। এটা নষ্ট হয়ে গেছে প্রায় পাঁচ মাস আগে। এরপর নিচতলার পূর্ব, পশ্চিম এবং উত্তর দিকের করিডোরে থাকা আরো তিনটি ক্যামরাও কাজ করছে না ৫ মাস ধরে। ক্যামেরাগুলোতে ধুলোবালি পড়ে আছে। নষ্ট ক্যামেরাগুলো নির্ধারিত জায়গায় স্থাপন করা আছে। কিন্তু এগুলোর কোন কার্যকারিতা নেই । এ সময় নিরাপত্তার বিষয়ে একাধিক রোগীর সাথে কথা হলে তারা বলেন, নিচ তলায় বিভিন্ন রুমের সামনে থেকে মোবাইল চুরি হয়। ছদ্দবেশে দালাল এবং নারী ছিনতাইকারীদের অবস্থান। রোগীর ভিড়ে কোনটা দালাল আর কোনটা ছিনতাইকারী এটা বুঝার কোন উপায় নেই। হাসপাতালে আসা সকল রোগী এবং রোগীর স্বজনদের গতিবিধি পর্যবেক্ষন এবং নিরাপত্তার নিশ্চিতে সিসি ক্যামরাগুলো সচল করা জরুরি।

ভর্তি রোগী সোহাগী বেগম জানান, ওয়ার্ডের ভিতরে ক্যামেরাগুলো সচল আছে। কিন্তু করিডোর এবং হাসপাতালের প্রবেশ মুখের ক্যামেরাগুলো নষ্ট থাকায় নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত থাকতে হয়। মোবাইল চার্জে দিলে চুরি হয়। রাতের বেলায় হাসপাতালে থাকেনা কোন নিরাপত্তা। পুরো হাসপাতালটি সিসি ক্যামেরার আওতায় আসলে কমে যাবে চুরি ছিনতাই ও অনাকাংখিত ঘটনা। পাশাপাশি রোগীসহ সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

জেলা সিভিল সার্জন ডা: আবুল কালাম আজাদ বলেন, হাসপাতালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিলো। পিডাবিøউর লোকজন সিসি ক্যামেরার চাহিদা লিখে নিয়ে গেছে। আজও তারা চাহিদা অনুযায়ী সিসি ক্যামেরা পাঠায়নি।


এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com
0Shares
0Shares